তথাকথিত ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র ৩০ বছরপূর্তি হলো আজ

img

নুরবিডি ডেস্ক: ‘মস্তক তুলিতে দাও অনন্ত আকাশে’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রবিবার (১৪ এপ্রিল) চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে সকাল ৯টায় শুরু হয়েছে মঙ্গল শোভাযাত্রা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

পহেলা বৈশাখের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র ৩০ বছর পূর্তি হলো আজ । জানা গেছে,‘আবহমান কালের বাঙালি সংস্কৃতি’ এবং ‘হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি’ হিসেবে দাবি করা হলেও বাস্তবে ১৯৮৯ সালে সামরিক শাসনের দিনগুলোতে কিছু তরুণ এই শোভাযাত্রা শুরু করেছিল। তারপর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এই শোভাযাত্রা বের হয়।

প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলো জানায়, শিক্ষার্থীরা ‘অমঙ্গলকে দূর করার জন্য’ বাঙালির নানা ধরনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক, প্রাণির প্রতিকৃতি ও মুখোশ নিয়ে শোভাযাত্রা করে। ইতোমধ্যে এটি ইউনেসকো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতিও পেয়ে যায়।

আয়োজকরা এবারও এ শোভাযাত্রায় বিভিন্ন প্রাণির প্রতিকৃতি বহনের কথা আগেই জানিয়েছিলেন। এবারের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রায়’ ছিল মহিষ, পাখি ও ছানা, হাতি, মাছ, বক, জাল ও জেলে, ট্যাপা পুতুল, মা ও শিশু এবং গরুর আটটি ‘শিল্পকাঠামো’ বা মূর্তি। এ ছাড়াও ছিল পেইন্টিং, মাটির তৈরি সরা, মুখোশ, রাজা-রানির মুখোশ, সূর্য, ভট, লকেট ইত্যাদি।

শোভাযাত্রাকে ঘিরে ছিল কঠোর নিরাপত্তা বলয়। পুলিশের নিরাপত্তা বেষ্টনির মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে এ শোভাযাত্রা। মাঝপথে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।এ শোভাযাত্রার শুরুতে ছিল র‌্যাব, তারপর ডিবি পুলিশ, তাদের পেছনে সোয়াট এবং তাদের পরেই ছিল আর্মড পুলিশের অবস্থান। শোভাযাত্রার দুই পাশে দড়ি দিয়ে বেরিকেড তৈরি করা হয়েছিল। যাতে মাঝপথে কেউ ঢুকতে না পারে।

সৌজন্যে : ইসলাম টাইমস২৪ডটকম