৬৪হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবীন আলেমদের দ্বীনিয়াত শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে হবে, বিআইএম

img

বাংলাদেশ ইন্টেলেকচুয়াল মুভমেন্ট (বিআইএম) এর এবারের ব্যতিক্রমী আয়োজন “নবীন আলেমদের কর্মসংস্থান ভাবনা” শীর্ষক আলোচনা সভাটি ৩১মার্চ সন্ধ্যায় পল্টনস্থ ইনসাফ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২০হাজার আলেম-আলেমাহ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সমাপ্ত করে সমাজের মূলধারায় যুক্ত হচ্ছে। কর্মজীবনে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ঠিক সেই সময়টাতে তাদের এক প্রকার হতাশা কাজ করে। যারা খুব ভালো, মেধাবী তাদের কর্মসংস্থান নিয়ে খুব বেশি একটা ভাবনা করতে হয় না। কিন্তু যারা একটু দুর্বল, অথবা এই যে বিশাল একটি জনগোষ্ঠী প্রতিবছর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সমাপ্ত করে জীবনের একটি নতুন অধ্যায়ে পা রাখতে যাচ্ছে, তাদের জন্য আমাদের অবশ্যই এমন কিছু প্রস্তাবনা, কর্মকৌশল প্রস্তুত একান্ত প্রয়োজন, যাতে তারা  শিক্ষাজীবন সমাপ্ত করে কোন প্রকার হতাশায় না ভোগে। সেই ভাবনা থেকেই বিআইএম এর এই ক্ষুদ্র আয়োজন।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিআইএম এর সম্মানিত সভাপতি, মাওলানা ওবায়দুর রহমান খান নদভী। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, বিআইএম এর সম্পাদক সৈয়দ শামছুল হুদা।

আলোচনা সভায় “নবীন আলেমদের কর্মসংস্থান ভাবনা” শিরোণামে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, ডেইলী ইসলাম২৪ডটকম এর নির্বাহী সম্পাদক, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক, হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ। তিনি তার লিখিত প্রবন্ধে বলেন, সদ্য যারা বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে ফারেগ হচ্ছে, তাদের অনেকেই হয়তো উচ্চতর শিক্ষার সুযোগ পাবে না, তাদের জন্য কর্মসংস্থানের যে সীমিত পরিসর আমাদের সামনে রয়েছে তাকে কীভাবে আরো বেশি বিস্তৃত করা যায়, তার জন্য আমাদের সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।  

তিনি বলেন, মসজিদ ও মাদ্রাসার সীমিত পরিসরের বাইরেও আমাদের কর্মসংস্থান নিয়ে ভাবতে হবে। যে সকল জায়গায় কাজ করলে কর্মসংস্থানও হবে পাশাপাশি ইসলামের খেদমত হবে এমন সব ক্ষেত্রসমূহ বাঁছাই করে নিতে হবে। দেশে প্রায় ৬৪হাজার প্রাইমারী স্কুল রয়েছে। যেখানে ইসলাম শিক্ষার মতো একটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয়ও আছে। কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো, উপযুক্ত শিক্ষকের অভাবে এসব সিলেবাস থেকে মুসলিম শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারছে না। এমনও দেখা গেছে যে, ইসলাম শিক্ষার জন্য নির্ধারিত আছেন একজন হিন্দু শিক্ষক। তিনি ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো ছাত্র-ছাত্রীদের কীভাবে শিক্ষা দিবেন?

তিনি বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০১০সালের ২০জানুয়ারী ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সভায় বলেছিলেন, প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। সে কারণে আজকের এই বিআইএম সভা থেকে বর্তমান সরকারের কাছে জোড়ালো দাবী জানাচ্ছি যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেহেতু এদেশের কওমী মাদ্রাসা সমূহের সনদকে এমএ(ইসলামিক স্টাডিজ ও এরাবিক) এর সমমান দিয়েছেন, এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অসংখ্যবার বলেছেন যে, দেশে প্রায় ১৪লক্ষ কওমী শিক্ষার্থী রয়েছে তাদের কর্মসংস্থানের চিন্তা থেকেই তাদের সনদকে রাষ্ট্রীয় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, সেহেতু এদেশের মাদ্রাসা সেক্টর থেকে যারা সদ্য শিক্ষাজীবন সমাপ্ত করে কর্মজীবনের প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তাদেরকে বাংলাদেশের প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষকপদে নিয়োগ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।


তিনি বলেন, দেশে কওমী ও আলিয়া মাদ্রাসা মিলে সর্বোচ্চ প্রায় ২০% শিক্ষা পরিচালনা করছে, অপরদিকে ৮০%শিক্ষার্থী নীতিহীন শিক্ষা গ্রহন করে রাষ্ট্র ও সমাজে নানা প্রকার বিশৃংখলার সৃষ্টি করছে। এই ৮০% শিক্ষার্থীর  জীবনকেও সুন্দর করে গড়ে তুলতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার কোন বিকল্প নেই।


আলোচনা সভায় মাসিক আল হেরা পত্রিকার সম্পাদক, ডেইলি সান পত্রিকার ধর্মপাতার কলামিষ্ট, মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ  শুয়াইব বলেন, সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. “মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো? “ বইয়ের একটি জায়গায় লিখেন, দ্বীনদার মানুষদেরকে ময়দানুল হায়াত থেকে দূরে সরিয়ে দিয়ে মসজিদ ও মাদ্রাসার সীমিত গন্ডীর ভিতরে আবদ্ধ করে ফেলা হয়েছে। যে সকল জায়গায় কাজ করার দ্বারা রাষ্ট্র ও সমাজের কল্যাণ সাধন সহজ, সে সকল জায়গা থেকে সুপরিকল্পিতভাবে আলেম সমাজকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সকল সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য আমাদের চিন্তার জগতকে আরো বেশি বিকশিত করতে হবে। আখলাক ওয়ালা হতে হবে, পাশাপাশি জগতের নেতৃত্ব দেওয়া যায়, সেই সকল জায়গাগুলোতে পৌঁছারও চেষ্টা করতে হবে। একটি কিতাবের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, যেখানে প্রায় ১৫০০ আলেমের জীবনী আলোচনা করা হয়েছে এবং তারা প্রায় ৪শ’রও অধিক পেশায় নিয়েজিত ছিলেন সেই মূল্যবান তথ্যগুলো আলোচিত হয়েছে। আমরা মসজিদ ও মাদ্রাসার খেদমতের বাইরে কোন পেশাকেই স্বাভাবিকভাবে গ্রহন করতে প্রস্তুত নই। অথচ আমাদের আকাবিরগণ হালাল পন্থায় উপার্জনের জন্য বৈধ অথচ তারা তা গ্রহন করেননি, এমন কোন পেশা পাওয়া যায় না। আমরা দুনিয়া বিমুখ হওয়ার ভান করতে করতে এমন সব কর্মকান্ডের সাথে জড়িত হচ্ছি, যা একজন আলেমের মর্যাদা ও সম্মানির জন্য চরম হানিকর।


আরবী ভাষা ও সাহিত্য কেন্দ্রের সম্মানিত পরিচালক, বিশিষ্ট দায়ী, আরবী ভাষাবিদ জনাব মহিউদ্দীন ফারুকী বলেন, আজকের এই আয়োজনটা যদি বেফাক করতো, হাইয়াতুল উলয়া করতো, তাহলে এর ইতিবাচক প্রভাব আরো বেশি হতো। আমাদের সমাজে বৈধ উপায়ে উপার্জনকে এখন আর তেমন গুরুত্বই দেওয়া হয় না। এটা গোটা জাতির জন্য অশনিসংকেত। তিনি বলেন, আমাদের অনেক তরুন আলেম প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ার শেষ পর্যায়ে এসে হতাশায় ভোগেন। ভাবতে থাকেন, এখানে পড়ে আমার ভবিষ্যত কী? এর উত্তরে তিনি বলেন, আমরা যে, দীর্ঘ একটা সময় কুরআন ও হাদীসের সান্নিধ্যে থাকতে পেরেছি, একটি দ্বীনি পরিবেশে থাকতে পেরেছি, এর জন্যই তো শুকরিয়া আদায় করা উচিত। পাশাপাশি যেই আল্লাহ তায়ালা আমাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেছেন, তিনিই আমাদের খাওয়াবেন, পরাবেন দিলের মধ্যে  এই বিশ্বাস সুদৃঢ় করা।

তিনি সদ্য ফারেগ হতে যাচ্ছেন এমন আলেমদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন শেষ করার অর্থ এই নয় যে, তার আর লেখা-পড়ার কোন প্রয়োজন নেই। বরং তাকে আরো কয়েকটি বছর বিভিন্ন বিষয়ের ওপর ইলমী গভীরতা অর্জনের জন্য বিশেষ কোন উস্তাদের তত্ত্বাবধানে কাটাতে হবে। আমাদের যোগ্য হতে হবে। পৃথিবী যোগ্যদের কদর করেছে, সম্মান দিয়েছে। মাদ্রাসার সীমিত পরিসরে শিক্ষা সমাপ্ত হয়ে যাওয়া মানে এই নয় যে, আমি সবকিছুই অর্জন করে ফেলেছি। তিনি বলেন, কিছু লোক  দরস ও তাদরীসের সাথে সম্পৃক্ত থাকবে, কিছু লোক শেকড়ের সাথে সম্পর্ক রেখে বিভিন্ন ময়দানে ছড়িয়ে পড়তে হবে। তবে নতুন জায়গায় যাওয়ার আগে নিজেকে প্রস্তুত করে নিতে হবে। আদর্শিক দৃঢ়তা অর্জন করতে হবে। এমন যেন হয়, নতুন একটি জায়গায় যাওয়ার কারণে সেখানের মানুষগুলো নামাযি হযেছে, আখলাকওয়ালা হয়েছে। এমন যেন না হয়, আমি একজন প্রাইমারী শিক্ষক, আমি আলেম হয়েও নামাযের সময় হলে অন্য শিক্ষকগণ নামায পগে, আর আমি আলেম হয়েও নামাযেরই খবর রাখি না। অন্য আখলাকগুলো ধরে রাখাতো অনেক পরের বিষয়। আর যে কোন পেশা গ্রহনের আগে এ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে যে, পেশাটি যেন সম্মানজনক হয়, হালাল হয়। নতুবা লাভের চেয়ে ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি দেখা দিবে।

ইনসাফ ২৪ডটকম এর সম্মানিত উপদেষ্টা সম্পাদক, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন, খতীব ও গবেষক মাওলানা মুসা বিন ইজহার বলেন, আমাদের মধ্যে এতদিনে যে জেহনিয়্যাত তৈরী হয়ে আছে তা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। নতুন পরিবেশ ও পরিস্থিতির কারণে কর্মসংস্থানের বিষয়টি নতুন করে ভাবতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের নেসাবের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সংযোজন করতে হবে। তিনি বলেন, তাজমহলের যিনি স্থপতি, তিনি একজন দরসে নেজামীর ছাত্র ছিলেন। অথচ আজকে আমাদের অবস্থান কোথায়? এ ব্যাপারে পটিয়ায় মরহুম হাজী ইউনুস সাহেব কিছু উদ্যোগ নিয়েছিলেন, কিন্তু নানা কারণে এসব সংস্কার আবেদন স্থবির হয়ে আছে। এই স্থবিরতা কাটিয়ে উঠার জন্য নবীনদের সাথে প্রবীনদের ভাবনা বিনিময়ের জন্য আজকের সভার সভাপতি বিশেষভুমিকা রাখতে পারেন।পুরাতন ও নতুনপ্রজন্ম উভয়ের মাঝে যে দূরত্ব বিরাজ করছে, তা কাটিয়ে উঠতে হবে। বড়রা যদি একটু এগিয়ে আসেন, তাহলে বাংলাদেশে আলেম সমাজের  যথেষ্ট কাজের চাহিদা আছে, সেগুলো দ্রুতই পূরণ করা সম্ভব।

সভাপতির বক্তব্যে আল্লামা ওবায়দুর রহমান খান নদভী বলেন, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম হক্কানী রহ. তাঁর রচিত “আকাবিরীন কা জরিয়ায়ে মা ‘আশ” গ্রন্থে যে সকল পেশার কথা বলেছেন, আজকে আমরা আকাবীরদের দোহাই দিয়ে এসব এড়িয়ে চলছি। তিনি বলেন, আজ  আমরা কথায় কথায় দারুল উলূম দেওবন্দ এর কথা বলি, কিন্তু আমরা কি জানি? কাসেম নানুতুবি রহ. একজন কলেজের ছাত্রও ছিলেন। তিনি দিল্লির ইসলামিয়া কলেজে আগে লেখাপড়া করেছেন। যে কলেজটি একসময় মাদ্রাসায়ে রহিমিয়া ছিল। কিন্তু ইংরেজ এটাকে কলেজে রুপান্তরিত করে।  একসময় তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক কাজগুলোও ধরে রাখার জন্য কওমী মাদ্রাসার বর্তমান যে রূপ তার ভিত্তিস্থাপন করেন ১৮৬৬সালে দারুল উলূম দেওবন্দে। কাসেম নানুতুবী রহ ৬টি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন। তারমধ্যে দেওবন্দ যে প্রসিদ্ধি পেয়েছে অন্য কোন প্রতিষ্ঠান সেটা পায়নি। দারুল উলূম দেওবন্দের প্রথম ছাত্র আল্লামা মাহমুদুল হাসান দেওবন্দী রহ. ১৯১৯সালে জামিয়া মিল্লিয়া প্রতিষ্ঠা করে সাধারণ মানুষের ঈমান বাঁচানোর আন্দোলন শুরু করেছিলেন। তিনি শুধু মাদ্রাসা ছাত্রদের কথাই ভাবেননি, তিনি গোটা উম্মাহর কথা ভেবেছেন।

তিনি বলেন : নিয়মিত পড়াশোনা শেষ করার পর আরো কিছু দিন পড়তে হবে। বিষয়ভিত্তিক ভালো আলেম হওয়ার জন্য পড়া, বড়দের সাথে মহব্বতের সম্পর্ক রাখা এ কাজগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বিআইএম এর দায়িত্বশীলদের লক্ষ্য করে বলেন, মাথা চিন্তা করে, মাথা কিন্তু কাজ করে না, হাত-পা তা বাস্তবায়ন করে। আমরা চিন্তাটা সমাজে ছড়িয়ে দেবো, যারা এটাকে ভালো মনে করবেন, তারাই সেটা বাস্তবায়ন করবেন। তিনি আলোচনা সভার পক্ষ থেকে মাওলানা শুয়াইব আহমদকে দায়িত্ব দেন, আকাবির আলেমদের কর্মময় জীবনের আলোকে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী হওয়া উচিত সে সম্পর্কে একটি বিস্তারিত প্রবন্ধ উপহার দিবেন। প্রবন্ধ পাঠক জনাব মাওলানা যুবায়ের আহমদকে দায়িত্ব দেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি যে সকল সেক্টরে কওমী আলেমগণ কাজ করতে পারেন তার একটি নোট তৈরী করে দিবেন, যা বড়দেরকে বুঝানোর জন্য সময় ও সুযোগ বুঝে কাজে লাগানো হবে।

তিনি আফসোস করে আরো বলেন, এদেশের সাধারণ মানুষ তার প্রিয় জিনিসপত্র নিয়ে পীর-মাশায়িখদের দরবারে চলে যায়। সেখানে গিয়ে এগুলো বিলিয়ে দিয়ে এক ধরণের তৃপ্তি পায়। তারা একাজটা কেন করে? তারা এই কারণেই করে যে, পীরদের প্রতি তাদের মনে এক ধরণের মায়া জাগে। এই মায়া জাগে বলেই প্রিয় গরুটা বাবার দরবারে গিয়ে দিয়ে আসে। এই বিষয়টিকে আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে। সাধারণ মানুষদের সাথে আলেমদের এই মায়ার সম্পর্কটা বর্তমানে নেই, একটা সময় ছিল। যে কারণে বর্তমানে মানুষ আলেমদের নিকট আসতে চায় না। কারণ এখানে তাদের সাথে আলেমদের মায়ার সম্পর্কটা হারিয়ে গেছে। এই মায়ার সম্পর্কটা আবারও দ্বীনের স্বার্থে গড়ে তুলতে হবে।

আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, মাসিক মদীনা সম্পাদক মাওলানা আহমদ বদরুদ্দীন খান, শাইখ মোঃ মুহাম্মদ উসমান গনী, আলী হাসান তৈয়ব, সাইয়েদ মাহফুজ খন্দকার, মাওলানা রুহুল আমীন নগরী, মাওলানা মাইনুদ্দিন ওয়াদুদ, আব্দুল্লাহ, আলাউদ্দীন প্রমুখ।