আল্লামার পরিচয়

img

আবদুল হক
‘আল্লামা’ আরবী শব্দ। শব্দটি আমরা সবাই শুনি, কেউ কেউ জানি। কান দিয়ে শোনায় দায় নেই, মন দিয়ে জানা খুব ভালো—তবে বলে ও লিখে অন্যকে জানানোয় দায় আছে। দায়টা শুদ্ধতা রক্ষার। প্রযুক্ত শব্দে যে-অর্থ আছে, নির্দেশ্য ব্যক্তিতে তা আছে কি না সেই চিন্তার দায়। চিন্তা না করলে ভুল করতে হয়। আমরা বেশিভাগ লোকই চিন্তা করি কম, তাই ভুল করি বেশি। চিন্তার দায়কে বিদায় করে, ভুলকে কবুল করে, আমরা নিশ্চিন্ত থাকতে চাই। কিন্তু ভুলের ফল সুফল নয়, কুফল। নির্বিচার অপপ্রয়োগে শব্দেরা মূল্য হারাচ্ছে। আমরা তবু নির্বিকারভাবে মোসাহেবি বাড়াচ্ছি, ভুল ছড়াচ্ছি আর কুফল ফলাচ্ছি। কানাকে বলছি পদ্মলোচন, মজা পুকুরকে রামসাগর। তাতে কানা ও মজা ভালো হয়ে যাচ্ছে না, কেবল উদ্দিষ্টেরা গর্বে ও শব্দেরা খর্বে মজে যাচ্ছে।

‘আল্লাম’ মানে অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী; বিদ্যাসাগর (মুতাবাহহির ফী আল-উলূম)। আরবী ব্যাকরণে শব্দটি ‘ইসম আল-মুবালাগা—আধিক্যবোধক বিশেষণ। মুবালাগা গঠনের কুড়িখানেক ‘ওযন’ বা ছাঁচ আছে। একটি উদাহরণ, আমাদের নিত্যব্যবহৃত বাক্য, ‘আল্লাহ সর্বশক্তিমান’। ‘ক্বুদরত’ অর্থ শক্তি, এর কর্তৃপদ ‘ক্বাদির’ মানে শক্তিমান, আর আধিক্যবোধক বিশেষণ ‘ক্বাদীর’-এর বাঙলা করা হয় সর্বশক্তিমান। একই রকম ব্যুৎপত্তিক্রম: ‘ইলম’—জ্ঞান, ‘আলিম’—জ্ঞাত, তা থেকে মুবালাগা ‘আলীম’ বা ‘আল্লাম’ মানে সর্বজ্ঞাত। অতঃপর এ ‘আল্লাম’-এর শেষে আরও অধিক অর্থজ্ঞাপক ‘হা’ (গোল ‘তা’) যোগ করে হয়েছে ‘আল্লামা’। ফলে, ‘আল্লামা’ শব্দটি এই হিসেবে জ্ঞানের আধিক্যের আধিক্য, অর্থাৎ পরাকাষ্ঠা বোঝায়। তাই আল্লামার যথার্থ বাঙলা তরজমা ‘মহাজ্ঞানী’।
‘আল্লাম’ ও ‘আল্লামা’ শব্দের, এ জ্ঞানের ব্যাপ্তি গভীরতা ও পরাকাষ্ঠাবাচক ব্যাখ্যাটি, পূর্ণত প্রমিত আভিধানিক ব্যাখ্যা। লিসান আল-আরব, আল-মুনজিদ, মিসবাহ আল-লুগাহ, আল-ক্বামূস আল-মুহীত, তাজ আল-আরূস মিন যাওয়াহির আল-ক্বামূস, আস-সিহাহ ফী আল-লুগাহ, আল-মুহীত আল-আ’যম, তাহযীব আল-লুগাহ, মুখতার আস-সিহাহ, আল-মুহীত ফী আল-লুগাহ, আল-ক্বামূস আল-ওয়াহীদ, আল-মু’জাম আল-ওয়াসীত, মু’জাম আস-সিহাহ, আল-মিসবাহ আল-মুনীর, কানয আল-লুগাহ আল-আরাবিয়্যাহ প্রভৃতি নতুন-পুরনো সমস্ত আরবী অভিধান স্পষ্টভাবে ওই একই অর্থ ও ব্যাখ্যা নির্দেশ করছে। সামান্য উদ্ধৃতি প্রয়োজন ও প্রাসঙ্গিক মনে করছি। আল্লামা ইবন মানযূর (১২৩৩—১৩১২) সঙ্কলিত বিশ্বময় সমাদৃত পনের খণ্ডের বিশালকায় ‘লিসান আল-আরব’-এ শব্দটির ভুক্তি একটু দেখে নেওয়া যাক:
“জ্ঞানের চূড়ান্ত পরিণতি তথা অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী ব্যক্তিকে উদ্দেশ করে ‘আল্লাম’ ও ‘আল্লামা’ শব্দ ব্যবহৃত হয়। ‘আল্লামা’-এর শেষের ‘হা’ আধিক্যবোধক। আরবীভাষী লোকেরা এ দ্বারা অতি উঁচুমাপের জ্ঞানী, জ্ঞানীদের জ্ঞানী বুঝিয়ে থাকে। এটি ভাষাবিদ লিহইয়ানীর অভিমত।
আল্লাম ও আল্লামা—নাসসাবা, এটাও একপ্রকার জ্ঞান। (‘নাসসাবা’ মানে কুলজিবিদ, নসবনামাবিশারদ। আধুনিককালে বংশতালিকা মুখস্থ রাখা বিদ্যা বলে আর স্বীকৃত নয়, ফলে এ অর্থে শব্দ দুটোর প্রয়োগও নেই। — লেখক)

ভাষাতাত্ত্বিক ইবন জিন্নী বলেন: (আরবীভাষায় পুরুষবাচক শব্দকে স্ত্রীবাচক বানাতে শব্দের শেষে ‘হা / গোল তা’ ব্যবহৃত হলেও) ‘আল্লামা’ শব্দের ‘হা’ বর্ণটি স্ত্রীলিঙ্গবাচক নয়। তাই নারী-পুরুষ উভয়কেই আল্লামা বলা যাবে। ‘আল্লাম’-এর শেষে যে ‘হা’ যুক্ত হয়ে একে ‘আল্লামা’ বানিয়েছে, সেই বর্ণটি শ্রোতাকে একথা জানান দেয় যে, আল্লামা বিশেষণে বিশেষিত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট গুণের চূড়ান্ত পরিণতি ও চরমসীমায় উপনীত হয়েছেন (ক্বাদ বালাগা আল-গাইয়াহ ওয়া আন-নিহায়াহ)। স্ত্রীজাতীয় ব্যক্তি নয়, বরং শব্দটির ‘হা’ এখানে ব্যাকরণগতভাবে স্ত্রীবাচক শব্দ ‘গাইয়াহ’ ও ‘নিহায়াহ’ (চরম ও চূড়ান্ত)-এর দিকে ইঙ্গিত করছে।”
‘আল্লাম’ ও ‘আল্লামা’ সম্পর্কে ইতিকৃত ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ ও আভিধানিক উদ্ধৃতির সাহায্যে আমরা তিনটে জিনিস জানলাম: শব্দ দুটোর অর্থ, প্রয়োগক্ষেত্র ও উভয়ের পার্থক্য। এ জানাটুকু সংক্ষেপ করে বলতে পারি— যাঁর ইলম আছে, তিনি আলিম; যিনি নানা বিষয়ে গভীর ইলম, অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা ও অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী, তিনি আল্লাম; এবং যাঁর জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞা মানবীয় সাধ্যের চূড়ান্ত উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে, তিনিই আল্লামা বা মহাজ্ঞানী। এমন মহাজ্ঞানীর জন্ম সর্বত্র হয় না, সর্বদা হয় না। লক্ষ লক্ষ জন্মমৃত্যুর ভিড়ে, হাজার হাজার মাইলের প্রান্তে, শত শত বছরের অযুত উদয়াস্তের ক্রমিক আলো-আঁধারের অনন্ত সৃষ্টিলীলার নিরন্তর তরঙ্গভঙ্গের মহাকালসমুদ্রের সুদূরপারের নিভৃত কোনো উপকূলে সহসা আবির্ভাব ঘটে একেকজন আল্লামার–যাঁর প্রজ্ঞা ও প্রতিভার ছটায় আলোকিত হয় মানুষ, জ্বলে ওঠে জনপদ, মহিমায়িত হয় মহাকাল।

ব্যবহারিক বিচারে ‘আল্লামা’ শব্দটি যতখানি আরবীভাষার, তার বেশি মুসলিম সমাজের। তাই ভাষাগত বিশ্লেষণের পর আমরা এবার ফিরে তাকাব ইসলামী জীবনদর্শনের দিকে, শব্দটির সূত্র খুঁজব মুসলিম ঐতিহ্যের ভেতরে।
পবিত্র কুরআনে ‘আল্লামা’ নেই। তবে ‘আল্লাম’ আছে। পর পর চার বার এসেছে যুগ্ম হয়ে, গুয়ূব (অদৃশ্যজগৎ)-এর সঙ্গে। স্থানগুলি যথাক্রমে ৫:১০৯; ৫:১১৬; ৯:৭৮; ৩৪:৪৮। একই ভঙ্গিতে, আয়াতগুলোয় আল্লাহকে বলা হয়েছে “আল্লাম আল-গুয়ূব”–অদৃশ্যজগতের সবিশেষ পরিজ্ঞাতা। এ দেখে ধর্মতাত্ত্বিকেরা ‘আল্লাম’ শব্দটিকে আল্লাহর গুণবাচক নামের তালিকায় শামিল করে নিয়েছেন। (প্রসঙ্গত, তালিকা ছোট জিনিস। সংখ্যা সীমিত। কিন্তু আল্লাহ অসীম। তাঁর গুণবাচক নামের সংখ্যা ৯৯ বলা যেমন ভুল, তেমনি ৯৯ কোটি বলাও ভুল। মানুষ নিজের ব্যবহারিক সুবিধার্থেই কয়েকটি শব্দ জড়ো করেছে। প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ সংখ্যার সীমাবদ্ধতা থেকে পবিত্র।) তাহলে দেখা যাচ্ছে, ‘আল্লাম’ শব্দটি আল্লাহর গুণবাচক নাম, কিন্তু ‘আল্লামা’ তা নয়। অথচ আমরা জেনেছি, প্রথম শব্দের চেয়ে দ্বিতীয়টি উচ্চতর। যদি বলি ‘আল্লাম’ মানে ‘বিশিষ্ট জ্ঞানী’, তবে এর চেয়ে এগিয়ে বলতে হবে ‘আল্লামা’ অর্থ ‘মহাজ্ঞানী’। অতএব যৌক্তিকভাবে ‘আল্লামা’ শব্দটিই আল্লাহর গুণবাচক নাম হিসেবে অধিকতর সঙ্গত ও প্রযোজ্য হওয়ার কথা। কিন্তু তা হয় নি। এমনকি উল্লিখিত হয় নি কুরআনেও। কেন হয় নি?

এই প্রশ্নের দুই উত্তর: একটি ভাষাভিত্তিক, অন্যটি বুদ্ধিবৃত্তিক। ভাষাভিত্তিক উত্তর দিয়েছেন ভাষাবিদ আবু হিলাল আল-আসকারী (৯২০–১০০৫), আর বুদ্ধিবৃত্তিক উত্তরটি আমরা আমাদের বুদ্ধি খাটিয়ে তৈরি করব। আসকারী তাঁর বিখ্যাত আরবী ভাষাতাত্ত্বিক পার্থক্য-অভিধান “মু’জাম আল-ফুরূক্ব আল-লুগাউয়িয়্যাহ”-তে ‘আল্লাম ও আল্লামার মধ্যে পার্থক্য’ নামক অনুচ্ছেদে লিখেছেন:
“আল্লাম ও আল্লামা দু'টোই মুবালাগার বিশেষণ। তবে বাড়তি ‘হা’ যুক্ত হওয়ার কারণে আল্লামার অর্থ দাঁড়ায়: ‘আন্নাহু ইয়াক্বূমু মাক্বামা জামায়াতি উলামা’—তিনি একাই এক জামায়াত জ্ঞানীর সমান বা স্থলবর্তী। শব্দটিতে অপ্রকৃত স্ত্রীলিঙ্গের ‘হা’ এখানে ব্যাকরণগতভাবে স্ত্রীলিঙ্গবাচক সেই ‘জামায়াহ’ শব্দের নির্দেশক, যা নিহিত আছে ‘আল্লামা’-এর অর্থের ভেতরে। এ কারণেই আল্লাহকে ‘আল্লাম’ বলা হয়, কিন্তু ‘আল্লামা’ নয়। (কেননা আল্লাহ অনন্য ও অতুলনীয়, কোনো জাতের বা জামায়াতের সমান বা স্থলবর্তী নন।)”

বুদ্ধিবৃত্তিক জবাব হলো: একক ‘আল্লাম’ শব্দটি আল্লাহর গুণবাচক নাম, একথা নিশ্চয় করে বলা যায় না। কেননা এর কোনো প্রমাণ নেই। আমরা দেখেছি, কুরআনে যত জায়গায় শব্দটি এসেছে, এসেছে যুগ্মভাবে ‘আল্লাম আল-গুয়ূব’ রূপে, যার মানে ‘অদৃশ্যজগতের সবিশেষ জ্ঞাতা’। অর্থাৎ দৃশ্যের যেমন, একইভাবে আল্লাহ অদৃশ্য অতীন্দ্রিয় পারমার্থিক জগতেরও পরম জ্ঞানী। সন্দেহ নেই, ইহজগতের আল্লামার চেয়ে এই দ্বিশাব্দিক বিশেষণটি উচ্চতর। কাজেই তা আল্লাহর গুণবাচক নামাবলির অন্তর্ভুক্ত হওয়ার অধিক উপযুক্ত।

‘আল্লামা’ শব্দটি সাহাবা, খলীফা, আমীর বা ক্বাযীর মতো ইসলামের কোনো পরিভাষা নয়। স্নাতক, মুফতী, উকিল, ডক্টর প্রভৃতির মতো শিক্ষা-জ্ঞান-গবেষণার স্বীকৃতিসূচক এমন কোনো উপাধি (ডিগ্রি) নয়, যা ব্যক্তির দ্বারা অর্জন ও প্রতিষ্ঠান হতে প্রদান করা হয়ে থাকে। হাকিম, অফিসার, আচার্য, রঈস বা মুহতামিমের মতো নির্দিষ্ট কর্তৃত্বের অধিকারী কোনো পদবীও নয়। এমনকি শব্দটি ওলী ও ইমামের মতো অলৌকিক অস্বাভাবিকতা ও জ্ঞান-প্রভাবজাত ভক্তির মোহজালেও জড়িয়ে নেই। আল্লামা একজন নিরঙ্কুশ জ্ঞানী মানুষ—আত্মগত জ্ঞানী, উচ্চতম জ্ঞানী, প্রতিভাবান জ্ঞানী। প্রতিভা মানে নতুন চিন্তার ক্ষমতা, সৃজনশক্তি। আল্লামার জ্ঞান অগাধ, অবাধ। তাঁর চিন্তা মৌলিক ও অনুপেক্ষ্য। তাঁর বহুগামী জ্ঞান মানুষকে ঋদ্ধ করে, চকিত করে। তাঁর ভাবনা মানুষকে ভাবায়, মানুষকে জাগায়, মানুষকে বদলে দেয়। আল্লামা একজন লেখক—অনিবার্য ও বহুমাত্রিক ও বহুপ্রজ লেখক। আল্লামাকে লেখক হতেই হয় অথবা লেখক না হয়ে কেউ আল্লামা হতে পারেন না—কেননা লেখালেখি ছাড়া চিন্তাকে পূর্ণভাবে ও সুন্দরভাবে ও অমোচনীয়ভাবে প্রকাশের আর কোনো পথ নেই। একই প্রয়োজনে আল্লামা একজন ভাষাবিদ এবং সাহিত্যিকও, কারণ ভাষা-সাহিত্যে দক্ষতা ছাড়া লেখালেখি চলে না।

কবে কোথায় কাকে প্রথম আল্লামা উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল, ঠিক করে বলা কঠিন। কারণ ঘটনাটা অনানুষ্ঠানিক—শুরুতে এক-দুজন থেকে শুরু হয়ে ক্রমশ ব্যাপ্তি পেয়েছে। সম্মানজনক সম্বোধন হিসেবে শব্দটির উল্লেখ কুরআন-হাদীসে নেই, সাহাবা-তাবিয়ী-তাব্ঈ তাবিয়ী যুগেও তার চল ছিল না। তাবিয়ীযুগে ছিল ইমাম। তারপর ক্রমে এসেছে হাফিয, হুজ্জত, শামস আল-আয়িম্মা, রুকন আদ্-দ্বীন, মুহি আস-সুন্নাহ, শাইখ আল-ইসলাম প্রভৃতি। মুসলিম উম্মাহর সর্বশ্রেষ্ঠ মনীষী ইমাম আ’যম আবু হানীফা (৬৯৯—৭৬৭), তাঁর শতাধিক মুজতাহিদ উস্তায, গবেষণা পরিষদের চল্লিশ প্রাজ্ঞ সদস্য ও হাজার হাজার বিখ্যাত শিষ্যসহ সেকালের অপরাপর সকল মুসলিম মনীষীই সাধারণভাবে ইমাম বলে অভিহিত হয়েছেন। উপাধি হিসেবে আল্লামার প্রচলন হিজরী সাত শতক মোতাবেক ঈসায়ী তের শতাব্দের ঘটনা। এর আগের কোনো মনীষী স্বকালে আল্লামা বলে খ্যাত হয়েছিলেন, এমন তথ্য ইতিহাসে খুঁজে পাওয়া যায় না। বরং আজ যাঁরা আল্লামা হিসেবে মশহুর, তাঁদেরও বেশিভাগই পরপারে পাড়ি জমানোর বহুকাল বাদে এ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। তবে সময় নয়, আমাদের মুখ্য অন্বেষ্য হলো প্রতিভা। তাই ‘কবে’-এর চেয়ে ‘কেন’ গুরুত্বপূর্ণ। কী ধরনের কতখানি প্রতিভার কারণে কোনো মনীষীকে দুনিয়ার মানুষ মুগ্ধ হয়ে আল্লামা বলে স্বীকৃতি ও সম্মান জানিয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে, আমরা তা-ই জানতে চাই। এই জানার একটাই উপায়—ইতিহাসের ছায়ালোক থেকে কিছু আল্লামাকে নামিয়ে এনে চোখের সামনে হাজির করা।

(অসমাপ্ত।)